1 0 3000 300 120 30 https://entforo.com/beng 960 0
site-mobile-logo

Review of ” মহালয়া “

Rating:- 9.3/10

পরিচালনা :- সৌমিক সেন

প্রথমে বলতে চাই যে এই ছবিটি হল পেলনা কেন?? এক কথায় অসাধারণ ছবি।গল্পটি ১৯৭৬ সালের মহালয়া অনুষ্ঠানের‌ জন্য বীরেন্দ্রকৃষ্ণ বাবুকে সরিয়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের মহালয়া ” দূর্গা দূর্গতিহারিনী ” পাঠ এবং তার কারন‌ ও ফলাফলের উপর আধারিত।

ছবিটি আমাদের-বাঙালিদের জন্য একটি অতি শিক্ষনীয় ছবি। আমরা দিন দিন অতি আধুনিক হতে গিয়ে যেভাবে আমাদের সংস্কৃতির জলাঞ্জলি দিচ্ছি যা এই ছবিটি খুব ভালো ভাবে দেখিয়েছে। ছবিটিতে বলা হয়েছে যে, পরিবর্তন হবেই ও হওয়া দরকার, কিন্তু তা যদি নিছক টি.আর.পি ও টাকা কামানোর জন্য জোর করে করানো হয় তাহলে তাহলে পরিনাম দুর্বিষহ। এই ছবিতেই দেখানো হয়েছে যে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ বাবুর কন্ঠে মহালয়া ” মহিষাসুরমর্দিনী ” ছারা দূর্গা পূজা কেন অসম্পূর্ণ।

সবথেকে বাস্তব পয়েন্টগুলি যা এই ছবিকে অসাধারণ বানায় তা হলো:-
১. মহানায়ক উত্তম কুমারকে কোনো প্রকার ভাবে ছোটো করা হয়নি, বরং তিনি যে বাধ্য হয়ে করেছিলেন তা স্পষ্ট করা হয়েছে।
২. বাঙালি যে দিন দিন অবাঙালি ও বিদেশীদের পা চেটে ও তাদের সংস্কৃতি আপন‌‌করে নিয়ে নিজের সংস্কৃতিকে বিপন্ন করে তুলেছে তা দেখানো হয়েছে।
৩. বাঙালি সংস্কৃতি ও ইমোশন বোঝার মতো ক্ষমতা ও শিক্ষা অবাঙালীদের নেই তাই দেখানো হয়েছে।
৪. শুধু বড় বড় শিল্পীদের কাঁধের উপর ভর করে একটি অমর সৃষ্টিকে রিপ্লেস করা যায়না তাই বোঝানো হয়েছে।

টেকনিক্যাল দিক:- 
১. অভিনয়- বীরেন্দ্রকৃষ্ণ বাবুর চরিত্রে “শুভাশীষ মুখার্জি” দেখিয়ে দিয়েছেন যে তিনি কত বড় লেজেন্ড। এবং মহানায়কের চরিত্রে “যীশু সেনগুপ্ত” পুরোপুরি ন্যায় করেছেন। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক এবং বাকিরাও যে যার নিজের যায়গায় সেরা অভিনয় করেছেন।

২. সিনেমাটোগ্রাফি, কালার গ্রেডিং ও পোশাক সামগ্রীর ডিটেলিং এতই নিখুঁত যে আপনি সেই মুখটিকে অনুভব করবেন। শুধু একটি দৃশ্যে দুরের হাওড়া স্টেশনের এল.ই.ডি ফ্লাড লাইট ও একটি ব্যানার দেখা গেছে, যা ইগনোর করা যায়। তাই আমি সবাইকে বলছি যে ছবিটি পরে কখনো টিভি অথবা হৈচৈ বা অ্যামাজন প্রাইমে দিলে অবশ্যই দেখবেন।

Previous Post
Next Post
Review of 'GUMNAAMI ...
0 Comments
Leave a Reply