1 0 3000 300 120 30 https://entforo.com/beng 960 0
site-mobile-logo

গাদ্দালাকোন্ডা গনেশ( বাল্মীকি ) {২০১৯}

My Rating: 7.1/10

পরিচালনা: হরিশ শঙ্কর

২০১৯ সালের যেসব রিমেক সিনেমা দেখার জন্য আমি আগ্রহী ছিলাম তাদের মধ্যে এটি হলো একটি। ২০১৪ সালের একটি দুর্ধর্ষ তামিল সিনেমা যা আমার অত্যন্ত প্রিয়, ‘জীগরঠান্ডা’-র অফিসিয়াল তেলুগু রিমেক হল ‘গাদ্দালাকোন্ডা গনেশ’ যার নাম প্রথমে বাল্মীকি হবার কথা ছিল। অভিনয়ে রয়েছেন গনেশের চরিত্রে ‘বরুন তেজ’, অভিলাষের চরিত্রে ‘অথর্ব’, বুজম্মার চরিত্রে ‘মৃনালিনী দেবী’, শ্রীদেবীর চরিত্রে ‘পূজা হেগডে’, গনেশের মা ও অভিলাষের বন্ধুর চরিত্রে ‘সুপ্রিয়া পাঠক’ ও ‘সত্য আক্কালা’।

২০১৯ সালের যেসব রিমেক সিনেমা দেখার জন্য আমি আগ্রহী ছিলাম তাদের মধ্যে এটি হলো একটি। ২০১৪ সালের একটি দুর্ধর্ষ তামিল সিনেমা যা আমার অত্যন্ত প্রিয়, ‘জীগরঠান্ডা’-র অফিসিয়াল তেলুগু রিমেক হল ‘গাদ্দালাকোন্ডা গনেশ’ যার নাম প্রথমে বাল্মীকি হবার কথা ছিল। অভিনয়ে রয়েছেন গনেশের চরিত্রে ‘বরুন তেজ’, অভিলাষের চরিত্রে ‘অথর্ব’, বুজম্মার চরিত্রে ‘মৃনালিনী দেবী’, শ্রীদেবীর চরিত্রে ‘পূজা হেগডে’, গনেশের মা ও অভিলাষের বন্ধুর চরিত্রে ‘সুপ্রিয়া পাঠক’ ও ‘সত্য আক্কালা’।

প্রেক্ষাপট: কিরিক সুব্বারাজের জীগরঠান্ডার মূল প্রেক্ষাপট, অর্থাৎ একজন ডন থেকে একজন ভালো মানুষ হয়ে যাওয়ার উপর কেন্দ্র করে নানা ও বিশেষ কিছু পরিবর্তন করে এই একশন ড্রামা গোছের ছবির স্ক্রীনপ্লে লিখেছেন হরিশ শঙ্কর নিজে, এবং তিনি গনেশের চরিত্রকে মহর্ষি বাল্মীকির সাথে তুলনা করেছেন। ছবিতে গনেশ যেমন একজন গ্যাঙ্গস্টার যাকে সবাই ঘৃনা করত, তা থেকে একজন ভালো মানুষ ও স্টার যাকে‌ সবাই মাথায় করে রাখে, ঠিক তেমনি রত্নাকর দস্যু থেকে এক মানুষ মহর্ষি বাল্মীকি হয়ে উঠেছিলেন। তাই আমার কাছে ছবির জন্য বাল্মীকি নামটাই বেশি যুক্তিযুক্ত। এছাড়াও ছবির গল্প অভিলাষ নামক এক ছেলের চারপাশে ঘুরছে যে একজন ডেবিউ ডায়রেকটর ও সে সিনেমার প্রতি ভালোবাসা ও একটি ভালো ও এন্টারটেইনিং সিনেমা বানানোর জন্য ঠিক কি কি করে তাই নিয়েই এই ছবি, এবং সেই জন্যই হয়ত আমার ছবিটা খুব ভালো লেগেছে। এছারাও ছবিতে বর্তমান যুগের মধ্যেও ৮০র দশকের এক পরিবেশ সুন্দর ভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যা খুব ভালো লেগেছে।

এবার আসি ছবিতে কি কি আমার ভালো ও খারাপ লেগেছে।

ভালো:

১। অভিনয়: গেনেশের চরিত্রে বরুন তেজ পুরো আগুন। তার স্ক্রিন প্রেজেন্স, চোখ, মুখের কাজ, ডায়লগ ডেলিভারি, জাস্ট অশাধারন। এছাড়াও অথর্ব, মৃনালিনী দেবী, পুজা হেগডে ও প্রত্যেকেই দারুন‌‌ ভাবে তাদের চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

২। পরিচালক হিসেবে হরিশ শঙ্কর নিজের কাজ ভালো ভাবে করেছেন। তিনি জীগরঠান্ডার মতো এক সেমি কমার্শিয়াল ছবির প্রেক্ষাপটে মাস দর্শকদের জন্য এক কমার্শিয়াল ছবি তৈরি করেছেন যাতে ইমোশান অনেক বেশি পরিমাণে আছে ও দর্শক খুব সহজেই নিজেকে এই ছবির সাথে কানেক্ট করতে পারবে।

৩: আবহ ও গান। ছবিতে আবহ ও গানের ব্যবহার আমার অত্যন্ত ভালো লেগেছে। এবং সঠিক যায়গায় গানের ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিতে তিনটি গান, ‘ওয়াকা ওয়াকা’, ‘জার্রা জার্রা’ ও ‘এল্লুবচ্চি গোদানাম্মা’ যা সত্যিই ভালো।

৪: ইমোশন ও সিনেমার মাহাত্ম্য প্রচার। জীগরঠান্ডার মতো এক টেকনিক্যাল ছবিতে ইমোশনাল দিকটা আমার একটু কমজোর লেগেছে যা এখানে একদম লাগেনি। এবং সিনেমাকি, তার কেন বানানো ও দেখা হয় তা খুব ভালো ভাবে দেখানো হয়েছে। ও প্রচুর সামাজিক প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে।

Uncategorized
Previous Post
Next Post
SPECIAL OPS (SEASON ...
0 Comments
Leave a Reply